জাপানে বেকারত্বের হার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ১ শতাংশ কমে ২০২৪ সালে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৫ শতাংশ। কারণ দেশটিতে শ্রম সংকটের ফলে কর্মী বরখাস্তের হার কমেছে। সম্প্রতি জাপান সরকারের দেয়া পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর জাপান টুডে।
গত বছর দেশটিতে গড়ে চাকরি প্রাপ্যতার হার দশমিক শূন্য ৬ পয়েন্ট কমে ১ দশমিক ২৫ হয়েছে, যা তিন বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমল। কভিড-১৯ মহামারীর পর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের কারণে শ্রম চাহিদা বাড়লেও পরে তা কিছুটা শিথিল হয় জাপানে।
শ্রম মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, চাকরির প্রাপ্যতার হার নির্দেশ করে যে প্রতি ১০০ চাকরিপ্রার্থীর জন্য ১২৫টি শূন্যপদ ছিল। এটি মহামারীর আগের স্তর অর্থাৎ ২০১৯ সালের ১ দশমিক ৬০-এর নিচে রয়েছে।
এ বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জাপানের শ্রমমন্ত্রী তাকামারো ফুকুওকা বলেন, ‘কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে।’
অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ বিষয়ক ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত বছর গড় বেকারত্বের হার ছিল ২০১৯ সালের পর সর্বনিম্ন। মহামারীর আগে এটি ছিল ২ দশমিক ৪ শতাংশ।
জাপানে টানা তৃতীয় বছরে বেকারের সংখ্যা কমেছে ২০২৪ সালে। এ বছর বেকার জনগোষ্ঠী ২০ হাজার কমে ১৭ লাখ ৬০ হাজারে পৌঁছায়। অন্যদিকে কর্মসংস্থান ৩ লাখ ৪০ হাজার বেড়ে ৬ কোটি ৭৮ লাখ ১০ হাজারে পৌঁছেছে, যা টানা চতুর্থ বছর বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
এছাড়া একই বছরে চাকরিতে নেই বা চাকরি খুঁজছেন না, এমন জাপানির সংখ্যা ৫ লাখ ৩০ হাজার কমে ৪ কোটি ৩ লাখ ১০ হাজারে নেমে এসেছে, যা টানা চতুর্থ বছর হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়।
প্রতিবেদন অনুসারে, বরখাস্ত হওয়ার পর কাজে ফিরতে না পারা ব্যক্তি ছিলেন ২ লাখ ২০ হাজার, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৩০ হাজার কম। অন্যদিকে স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়ে আসা ব্যক্তির সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে। সাধারণত ভালো সুযোগের আশায় কর্মীরা চাকরি ছেড়ে যান।